খাল পুনঃখননে যশোর আসছেন প্রধানমন্ত্রী, উৎসবমুখর শার্শা
যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশীতে অবস্থিত ঐতিহাসিক উলাশী জিয়া খাল পুনঃখননকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিবিজড়িত এ খাল পুনঃখননের উদ্যোগকে এলাকার কৃষি উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এ খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রায় এক বছর ধরে তা চলমান ছিলো। প্রায় ৪.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালের মাধ্যমে শার্শার উত্তরাঞ্চলের সোনামুখী, বনমান্দারসহ প্রায় ২২টি বিলের হাজার হাজার একর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টি হয়, যা কৃষিতে বিপ্লব ঘটায়।
দীর্ঘ প্রায় অর্ধশত বছর পর আবারও এ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে খুব শিগগিরই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর আগমনের সম্ভাবনার খবরে উলাশীসহ পুরো শার্শা এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে। স্থানীয়রা অধীর আগ্রহে তার আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খালটির পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। এ সময় তিনি কাজের অগ্রগতি, মান এবং এর মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি খননের গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ,শার্শা উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন, প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ খাল খনন কার্যক্রমকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্থানীয়দের আশা, এ খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে
সবার দেশ/কেএম




























