১২ বছর পর নির্বাচন
রাজশাহী চেম্বারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিএনপিপন্থী ১১, জামায়াতপন্থী ১০ পদে জয়ী
দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীরা সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন। নির্বাচনে বিএনপিপন্থীরা ১১টি এবং জামায়াতপন্থীরা ১০টি পদে জয়ী হয়েছেন।
শনিবার গভীর রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বোয়ালিয়া থানা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে ‘খ’ প্যানেল (বিএনপিপন্থী) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হাসেন আলী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি হরিণ প্রতীক নিয়ে ১ হাজার ৪১ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক’ প্যানেলের (জামায়াতপন্থী) খন্দকার মিজানুর রহমান ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ২৬ ভোট। ফলে মাত্র ১৫ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন হাসেন আলী।
অন্যদিকে সিনিয়র সহসভাপতি পদে জয় পেয়েছেন ‘ক’ প্যানেলের প্রার্থী শামসুর রহমান শান্তন। সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ‘খ’ প্যানেলের জিয়াউদ্দিন আহমেদ।
পরিচালনা পর্ষদের ১৮টি পরিচালক পদের মধ্যে ১০টি দখল করেছে ‘ক’ প্যানেল (জামায়াতপন্থী), আর ৮টি পেয়েছে ‘খ’ প্যানেল (বিএনপিপন্থী)। ফলে সামগ্রিকভাবে নেতৃত্বের ভারসাম্যে দুই পক্ষের শক্ত অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।
‘ক’ প্যানেল থেকে নির্বাচিত পরিচালকরা হলেন— রেজাউল করিম, শাহ মো. মাইনুল হোসেন শান্ত চৌধুরী, হাসিবুল আলম, ইমাম মেহেদী, আহসান হাবীব, শাকিলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান, রুহুল আমীন, ফরহাদ হোসেন ও মোবাশ্বের আলী।
অন্যদিকে ‘খ’ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন— তৌহিদ হাসান, মাইনুল হক, মো. শামসুজ্জামান, তাসনিম হোসেন, গোলাম সাকলাইন, এ জে এম জান্নাতুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ও মাহমুদ হাসান।
দীর্ঘ ১২ বছর পর এ নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও উত্তেজনা লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনের ফলাফলে দুই পক্ষের প্রায় সমান শক্তির উপস্থিতি ভবিষ্যতে চেম্বারের নীতিনির্ধারণে সমন্বয় ও প্রতিযোগিতা—দুইয়েরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























