যুবলীগ নেতাকে পালাতে সহায়তাকারী যুবদল নেতা বহিষ্কার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে যুবলীগ নেতাকে পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে সহায়তা করার অভিযোগে বুধন্তী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (২ জুন) বিকেলে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত দলীয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
১৫ মে রাত ১১টার দিকে ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সুমন চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে বুধন্তী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মিয়াকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার দোকান থেকে সোহাগকে আটক করতে গেলে, যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কৌশলে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ উঠে। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনা ধারণ হয় এবং তা পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনার জেরে ১৭ মে বিজয়নগর থানায় মিজানুরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন এসআই সুমন। অভিযুক্ত মিজান বর্তমানে জামিনে থাকলেও, অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানায় পুলিশ।
অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের দায়ে মিজানুরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল জেলা যুবদল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এবং ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ থাকার ভিত্তিতে দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা জানান, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশ রয়েছে—দলের কেউ বেআইনি কাজে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। সে মোতাবেক কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র মিজানুর নন, ভবিষ্যতেও যারা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সবার দেশ/কেএম




























