গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে নিষিদ্ধ আ.লীগের হামলা, কারফিউ জারি
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আয়োজিত সমাবেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে শহরের কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে হঠাৎ করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। সংঘর্ষের সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতরা হলেন—গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গীপাড়ার সোহেল রানা মোল্লা (৩০) ও ইমন তালুকদার।
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস জানান, বিকালে তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতালের আরেকটি সূত্র পরে জানায়, নিহতের সংখ্যা চারজনে পৌঁছেছে।
প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ও গুলির আঘাতে অন্তত আরও ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করেছে। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, এ সময়ের মধ্যে সব ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল ও চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
সংঘর্ষের কারণ নিয়ে প্রশাসন এখনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিলেও এনসিপি নেতারা এ হামলার জন্য সরকারি দলকে দায়ী করছেন। পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের শনাক্তে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে এনসিপি।
সবার দেশ/কেএম




























