দেশের ভুল চিকিৎসায় জটিলতা বেড়েছে কারিনার: কায়সার হামিদ
ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোরে অবস্থিত খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন তার বাবা, দেশের প্রখ্যাত ফুটবলার কায়সার হামিদ।
গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কারিনাকে চেন্নাই নেয়া হয়। তার সঙ্গে মা ও দুই ভাই গেলেও ভিসা জটিলতার কারণে ভারতে যেতে পারেননি কায়সার হামিদ।
দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কায়সার হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারিনাকে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ, ঘুমের বড়ি এবং উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয়েছিলো। তার দাবি, এসব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় কারিনার ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছে এবং শারীরিক জটিলতা আরও বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশে ‘হেপাটাইটিস এ’ ও লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা সুবিধার অভাব থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কারিনা কায়সার-এর জরুরি ভিত্তিতে লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। এ কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন দুই ভাই মোস্তফা এস. হামিদ ও সাদাত হামিদ। দুজনই লিভার দিতে সম্মতি জানিয়েছেন। তবে রক্তের গ্রুপ মিল থাকায় ছোট ভাই সাদাত হামিদের লিভারের ২০ শতাংশ কারিনার শরীরে প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বর্তমানে চেন্নাইয়ের চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। সংক্রমণ কমে এলে লিভার প্রতিস্থাপনের মূল অস্ত্রোপচার করা হবে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া কারিনা কায়সার অভিনয় জগতেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। তার অভিনীত ইন্টার্নশিপ এবং ৩৬-২৪-৩৬ দর্শকদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এদিকে তার শারীরিক অবস্থার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন।
সবার দেশ/কেএম




























