মামলার রায় ১০ জুন
দোষ প্রমাণ হলে ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে নাসিরের
অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা-র বিরুদ্ধে রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
বুধবার (৬ মে) শুনানি শেষে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-এর বিচারক আগামী ১০ জুন রায়ের দিন ঠিক করেন।
শুনানিতে বাদীপক্ষ নাসির ও তামিমার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে অব্যাহতি প্রার্থনা করেন।
মামলার বাদী রাকিব হাসান অভিযোগ করেন, আইনগতভাবে তালাক সম্পন্ন হওয়ার আগেই তামিমা নতুন করে নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারায় অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে সম্মতিসূচক সম্পর্ককে ব্যভিচার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড। এছাড়া ৪৯৮ ধারায় আরও ২ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। আদালত চাইলে সাজা একসঙ্গে বা ধারাবাহিকভাবে কার্যকর করতে পারেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোসলেম উদ্দিন জসীম বলেন, নাসির হোসেন বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য ক্রিকেটার। নাসির ও তামিমা বৈধভাবে বিয়ে করেছেন এবং তাদের কাছে থাকা সব কাগজপত্র বৈধ। তাদের সম্মানহানির উদ্দেশ্যেই এ মামলা করা হয়েছে।
২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরা-র একটি রেস্তোরাঁয় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা। বিয়ের ১০ দিন পর, ২৪ ফেব্রুয়ারি, তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এর ভিত্তিতে ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় আগামী ১০ জুন ঘোষণা করা হবে।
সবার দেশ/কেএম




























