খামেনি হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর গুঞ্জন
কুদস ফোর্স প্রধান কানি মোসাদের গুপ্তচর!
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেলৈইসমাইল কানিকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ও জল্পনা ছড়িয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আরব গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির অবস্থান সংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।
তবে ইরান সরকার বা আইআরজিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নিশ্চিত তথ্য দেয়া হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে ভয়াবহ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকেই জেনারেল কানিকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়। ওই হামলায় খামেনিসহ ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা নিহত হন।
আরব গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, হামলার ঠিক কয়েক মিনিট আগে কানি ওই সুরক্ষিত কম্পাউন্ড থেকে বেরিয়ে যান। ফলে বিষয়টি ইরানের নিরাপত্তা মহলে সন্দেহের জন্ম দেয়।
প্রাথমিক তদন্তের বরাতে কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য শত্রুপক্ষের কাছে পৌঁছে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে কানির বিরুদ্ধে। সে তথ্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বাহিনী অত্যন্ত নিখুঁত হামলা চালাতে সক্ষম হয় বলে দাবি করা হচ্ছে।
২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় কুদস ফোর্সের তৎকালীন প্রধান কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন জেনারেল কানি। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তিনি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।
তবে সাম্প্রতিক এ গুঞ্জনের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে জনসমক্ষে কানির অনুপস্থিতি নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও তার গ্রেফতার বা মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি সত্য হলে তা ইরানের সামরিক ও গোয়েন্দা কাঠামোর জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























