হরমুজে ‘টোল’? যুদ্ধবিরতির আড়ালে অর্থনৈতিক খেলা!
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে ফি বা ‘টোল’ আদায়ের অনুমতি পেতে যাচ্ছে ইরান ও ওমান—এমন তথ্য উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে।
বার্তা সংস্থা এপি’র বরাতে Al Jazeera জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া এ চুক্তির আওতায় প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করতে হতে পারে।
প্রতিবেদনে এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান এ ফি থেকে প্রাপ্ত অর্থ পুনর্গঠন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করতে চায়। তবে ওমান এ অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে এখনও পরিষ্কার কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি সরাসরি আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় বিস্তারিত প্রকাশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে ‘টোল’ আরোপের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস সরবরাহ এ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ভৌগোলিকভাবে এ প্রণালির ওপর ইরান ও ওমান—উভয় দেশেরই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে এ ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন খাতের জন্য নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে।
তবে এখনও এ ‘টোল’ ব্যবস্থার চূড়ান্ত রূপ, হার বা কার্যকারিতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে এটি বাস্তবায়ন হবে কি না, নাকি আলোচনার কৌশল হিসেবেই রাখা হচ্ছে—সে প্রশ্ন এখনও খোলা রয়ে গেছে।
সবার দেশ/কেএম




























