সাবেক র্যাব কর্মকর্তা শামীম হাসানের বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্ট
ঠাণ্ডাজনিত মৃত্যু হামের তালিকায় যুক্ত করার অভিযোগ
দেশে ঠাণ্ডাজনিত কারণে মারা যাওয়া শিশুদেরও হামের মৃত্যু তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক র্যাব কর্মকর্তা শামীম হাসান। তিনি দাবি করেন, অতীতেও একই ধরনের তথ্য উপস্থাপনার ঘটনা ঘটেছিলো।
এক বক্তব্যে তিনি বলেন, এমনটা আমরা দেখেছি শেখ হাসিনা সরকারের আমলে। তখন সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত ব্যক্তিকেও করোনায় মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হতো। ওই তালিকা দেখিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা আনা হয়েছিলো। এখন একইভাবে ঠাণ্ডাজনিত কারণে মারা যাওয়া শিশুদের হামের তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।
তবে এ অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ বা সরকারি নথি উপস্থাপন করেননি।
সাবেক এ কর্মকর্তা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘মঞ্চ ৭১’-সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী সুশীল সমাজের আড়ালে থেকে ড. ইউনূসের ফাঁসির দাবি তুলে সরকারকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যদি কোনওভাবে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায়, তাহলে একটি মহল বলবে এ নির্বাচন বৈধ ছিলো না। তারা প্রমাণ করতে চাইবে শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী। তাই ড. ইউনূসকে কোনওভাবেই বিতর্কিত করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন,
ড. ইউনূসকে বিতর্কিত করার অর্থ হলো তারেক রহমানকে বিতর্কিত করা। এতে দেশে তৃতীয় শক্তির প্রবেশের পথ তৈরি হতে পারে।
ভারতের সঙ্গে বিগত সরকারের বিভিন্ন চুক্তিরও সমালোচনা করেন শামীম হাসান। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে ভারতের সঙ্গে কী কী চুক্তি হয়েছে, বিশেষ করে আদানি গ্রপের সঙ্গে কী ধরনের চুক্তি হয়েছিলো, তা এখনও সামনে আনা হয়নি। তার দাবি, এখনও অনেকে ভারতের পক্ষ নিয়ে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া শেখ হাসিনার অডিও বার্তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বয়স এখন ৮০ বছরের বেশি, তাই তিনি আর দেশে ফিরবেন না বলেই মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোলকাতার পাশাপাশি লন্ডনের দিকেও নজর রাখা উচিত, যাতে টিউলিপ সিদ্দিককে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্ত করা না যায়।
রাজনৈতিক সহনশীলতার প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন সাবেক এ র্যাব কর্মকর্তা। তিনি বলেন, অতীতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের রিমান্ডে নেয়া হলে তারা কারাগারে একে অপরকে ভাইয়ের মতো সহযোগিতা করতেন। সে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ভুলে যাওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সবার দেশ/কেএম




























