Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬

অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলায়ও অক্ষত বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!

অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলায়ও অক্ষত বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা প্রায় পাঁচ সপ্তাহের নজিরবিহীন হামলার পরও ইরানের বড় অংশের অস্ত্রভাণ্ডার অক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা। তাদের মূল্যায়নে উঠে এসেছে, এ অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতাই এখনও ইরানকে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ইরান তাদের যুদ্ধ-পূর্ব ড্রোন অস্ত্রভাণ্ডারের প্রায় ৪০ শতাংশ এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্রের ৬০ শতাংশের বেশি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যা আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এ সময়ের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চললেও নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির সময় গোপন স্থাপনা থেকে ১০০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার উদ্ধার করা হয়েছে। এসব লঞ্চার পাহাড়ি গুহা ও ভূগর্ভস্থ বাংকারে লুকিয়ে রাখা ছিলো, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে—ইরান পরিকল্পিতভাবে তাদের সামরিক সম্পদ সংরক্ষণ করেছে।

এছাড়া হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ডিপো ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র উদ্ধারের কাজও চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ইরান তাদের যুদ্ধ-পূর্ব অস্ত্র সক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনতে পারে।

যদিও উৎপাদন অবকাঠামোতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তবুও ইরানের কৌশলগত অবস্থান এখনও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ বা ব্যাহত করার সক্ষমতা দেশটির হাতে রয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি পরিবহন হয়, ফলে এখানে অস্থিরতা বৈশ্বিক বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

ইসরায়েলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ড্যানি সিট্রিনোভিচ মন্তব্য করেছেন, ভবিষ্যতে সংঘাত শুরু হলে ইরান প্রথমেই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার চেষ্টা করতে পারে।

এদিকে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ইরান ইতোমধ্যেই হরমুজ প্রণালিকে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে ইরান সরাসরি বড় কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। যদিও এ অবরোধের কারণে দেশটির সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। কর্মকর্তাদের হিসেবে, ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সমুদ্রপথনির্ভর, যার দৈনিক মূল্য প্রায় ৩৪০ মিলিয়ন ডলার—যার একটি বড় অংশ বর্তমানে স্থবির হয়ে রয়েছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

৭ নভেম্বরের র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি, কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে
বাংলাদেশকে অভিবাসনের গন্তব্য করতে চান স্পিকার
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ভোটারদের রায়, শুরু পতনের অধ্যায়
সেন্টমার্টিনে আজ থেকে চলবে ৩ পর্যটকবাহী জাহাজ
নিশো-মেহজাবীনের ‘অপলক’
মেসি-রোনালদোসহ ২৬ তারকা ভোটযুদ্ধের মহড়ায়
ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আক্তারুজ্জামানের ছেলে গুরুতর আহত
মেঘনা বিএনপির কমিটি নিয়ে তৃণমূলে ক্ষোভ
ট্রাম্পকে ময়লার পাত্রে ফেললো ইরানি দূতাবাসের ভিডিও
হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক
তিতাসে নতুন দুই কূপ, দৈনিক মিলবে ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস
আমেরিকানরা ‘বিরক্ত’ হলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প
গাজীপুর-সাভারে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়
কল্যাণপুরে বাস-লেগুনার সংঘর্ষ, নারীসহ নিহত ৪
আওয়ামী প্রেতাত্মা হাসানুজ্জামানকে দুদকের মহাপরিচালক নিয়োগ