ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে আতঙ্ক ইসরায়েল জুড়ে
তেল আবিবে তীব্র হামলা ইয়েমেনের
মধ্য ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি আকাশেই খণ্ডবিখণ্ড হয়েছে। তবে হামলার পর তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার খবর পাওয়া গেছে। খবর আনাদুলুর।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরই মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়। ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে একাধিকবার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। এ সময় আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটতে গিয়ে কয়েকজন সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আদম (এমডিএ)।
হামলার কারণে তেল আবিবের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানায়, বিমানবন্দর ও এর আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, আকাশসীমায় প্রবেশের আগে একটি ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়। ড্রোন আটকানোর সময় গাজা উপত্যকার কাছাকাছি এলাকায়ও সাইরেন বাজানো হয়।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি এ হামলার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের দিকে একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিলো এবং সেটি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আটকাতে পারেনি। এছাড়া দুটি ড্রোন ছোড়া হয়—একটি তেল আবিবে এবং আরেকটি দক্ষিণ ইসরায়েলের আশকেলনে। উভয় ড্রোনই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে হুতিরা।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে। হুতিরা বলছে, ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে এ হামলা অব্যাহত থাকবে।
সবার দেশ/কেএম




























