জোট ছাড়ার প্রশ্নে এনসিপিকে নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বেরিয়ে যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বিষয়টি এনসিপি বা জামায়াত—কোনও পক্ষেরই এজেন্ডা নয়।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
এটা এনসিপিরও এজেন্ডা না, আমাদেরও এজেন্ডা না। মানে যার বাড়িতে বিয়ে তার কোনও ঠেকা নাই, আর পাড়া-পড়শির ঘুম নাই—এ রকম আরকি বিষয়টা।
এ সময় শফিকুর রহমান এনসিপির কার্যালয়ে আগে থেকে চলমান ঈদে মিলাদুন্নবীর অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান ছাড়াও এনসিপি, ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা তো সে অর্থে কোনও ফরমাল জোট না। আমরা একটা নির্বাচনি ঐক্য করেছি। আর এখন জনগণের স্বার্থে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।
১১ দলীয় ঐক্য থেকে দুটি দল বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নিজের দীর্ঘদিনের জোট রাজনীতির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রথমে আমরা চার দল ছিলাম। এরশাদ সাহেব বেরিয়ে গেলেন। তারই একটা অংশ নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাহেব থাকলেন, থেকে একটা জাতীয় পার্টি গঠন করলেন। চার দল থাকলো। এরপরে ১৮ দল হলো, এরপরে ২০ দল। শেষ পর্যন্ত আমরা ২৭ দল গুনেছি। কিন্তু এটাকে ২০-দলীয় ঐক্যজোট বলা হতো। এটা একটা ব্র্যান্ড।
জোটের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা তো কাউকে আসলে জোর খাটাতে পারি না। এ অধিকার আমাদের নাই। গণতন্ত্রে তার প্ল্যাটফর্ম চয়েস করার অধিকার প্রত্যেকেরই থাকবে। তবে আমরা চেষ্টা করবো দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এ ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার।
এদিকে ১১ দলীয় ঐক্যের ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতির বিষয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি জানান, এ নিয়ে ইতোমধ্যে ‘হোমওয়ার্ক’ শুরু হয়েছে। জোটের শরিক দলগুলোর সম্ভাবনাময় ব্যক্তিদের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে থাকা যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরও এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হবে।
জামায়াত আমির বলেন, এরা দুনিয়ার যেকোনও জায়গায় থাকলেও আমাদের সে ইন্টেলেকচুয়াল রেমিট্যান্সগুলো আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।
সবার দেশ/কেএম




























