অনুমতি ছাড়া হজের চেষ্টায় গুনতে হবে জরিমানা
বৈধ অনুমতি ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজ পারমিট ছাড়া কেউ হজ করার চেষ্টা করলে কিংবা অবৈধভাবে অন্য কাউকে হজে অংশ নিতে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে।
নতুন এ বিধিনিষেধ আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। হজ মৌসুমে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পবিত্র স্থানগুলোর শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈধ হজ পারমিট ছাড়া কেউ হজ পালন বা হজের চেষ্টা করলে তাকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা দিতে হবে। একই জরিমানা প্রযোজ্য হবে সে সব ভিজিট ভিসাধারীদের ক্ষেত্রেও, যারা নিষিদ্ধ সময়ে মক্কায় প্রবেশ করবেন বা সেখানে অবস্থান করবেন।
সবচেয়ে কঠোর শাস্তি রাখা হয়েছে তাদের জন্য, যারা অবৈধ হজযাত্রীদের সহায়তা করেন। কেউ যদি ভিজিট ভিসা ব্যবস্থা করে দেন, পরিবহন দেন, হোটেল বা বাসস্থানের ব্যবস্থা করেন কিংবা অন্যভাবে অবৈধ হজে সহায়তা করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা আরোপ করা হবে। অপরাধের সংখ্যা অনুযায়ী এই অঙ্ক আরও বাড়তে পারে।
এছাড়া, অবৈধভাবে মক্কায় প্রবেশকারী বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থানকারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তাদের ওপর পরবর্তী ১০ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। অবৈধ হজযাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন আদালতের নির্দেশে বাজেয়াপ্তও করা হতে পারে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, হজের পবিত্রতা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। তাই নির্ধারিত নিয়ম মেনে বৈধ অনুমতি নিয়েই হজ পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: গালফ নিউজ
সবার দেশ/কেএম




























