নতুন নেতার প্রতি সংহতি
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেও তেহরানে জনসমুদ্র
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মধ্যেই ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের রাজপথে নেমে এসেছে লাখো মানুষ। ইসলামি বিপ্লবের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনির প্রতি সংহতি ও আনুগত্য প্রকাশ করতেই সোমবার (৯ মার্চ) দেশজুড়ে এ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানী তেহরান ছাড়াও শিরাজ, কেরমান, আহওয়াজ, তাবরিজ, হামেদান এবং আরদাবিলসহ বড় শহরগুলোতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়। তেহরানের এঙ্গেলার স্কয়ারে আয়োজিত প্রধান সমাবেশে হাজারো মানুষ ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে জড়ো হন এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী নানা স্লোগান দেন।
সমাবেশে অংশ নেয়া অনেকেই গণমাধ্যমকে জানান, সদ্যপ্রয়াত নেতার মৃত্যুতে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে নতুন নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানাতেই তারা রাজপথে নেমেছেন। তাদের ভাষ্য, নতুন নেতার দিকনির্দেশনায় ইসলামি বিপ্লবের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তারা দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় ইরানের ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৫৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনিকে দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত করে। তিনি তার পিতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির স্থলাভিষিক্ত হন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে নিজ কার্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর পর একটি অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছিলো।
সোমবারের সমাবেশে অংশ নেয়া ইরানিরা দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক অভিযানের প্রতিও সমর্থন জানান। তারা বলেন, দেশের অবকাঠামোতে হামলা এবং সাধারণ মানুষ ও শিশুদের হত্যার প্রতিটি ঘটনার জবাব দেয়া হবে।
চলমান সংঘাতের মধ্যেও নতুন সর্বোচ্চ নেতার নির্বাচন এবং জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ ইরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সংকল্পের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র: প্রেস টিভি
সবার দেশ/কেএম




























