Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৪, ২ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১২:২৭, ২ এপ্রিল ২০২৬

নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া করে ইরান যুদ্ধে পাঠানোর দাবি

নেতানিয়াহুর ছেলেকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া করে ইরান যুদ্ধে পাঠানোর দাবি
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন স্টিভ ব্যানন। হোয়াইট হাউসের সাবেক এ উপদেষ্টা সরাসরি দাবি তুলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানো হোক।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বক্তব্যে ব্যানন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে উদ্দেশ করে বলেন, মিয়ামিতে অবস্থানরত নেতানিয়াহুর ছেলেকে অবিলম্বে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা উচিত। তার ভাষায়, 

তাকে ফিরিয়ে নিয়ে সামরিক পোশাক পরিয়ে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে পাঠানো হোক।

ব্যাননের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চাপা অসন্তোষ বাড়ছে। সমালোচকদের দাবি, যুদ্ধ চললেও নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার কিংবা আরেক ছেলে আভনার—কেউই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী-এ যোগ দেননি।

এ ইস্যুতে শুধু ইসরায়েল নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ছেলে ব্যারন ট্রাম্পকে নিয়েও একই ধরনের দাবি উঠেছে। সম্প্রতি ‘ড্রাফট ব্যারন ট্রাম্প’ নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট চালু করে এ ইস্যুকে আরও উসকে দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী পুরুষদের জন্য ‘সিলেক্টিভ সার্ভিস’-এ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হলেও ১৯৭৩ সালের পর দেশটিতে আর বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগ চালু হয়নি। তবে বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাধরদের সন্তানদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর দাবি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

শুধু ব্যক্তি পর্যায়ের সমালোচনাতেই থেমে থাকেননি ব্যানন। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে আরও আগ্রাসী সামরিক কৌশলের কথাও তুলে ধরেছেন। তার প্রস্তাব অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখল করা উচিত।

ব্যাননের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে এ ধরনের অভিযান চালানো সম্ভব। তিনি দাবি করেন, এ দ্বীপের মাধ্যমেই ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি হয়, বিশেষ করে চীনের বাজারে।

এছাড়া তিনি কাতার ও সৌদি আরবের রাজপরিবারের সদস্যদের বিলাসী জীবনযাপন নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, 

রাজপুত্রদের ক্যাসিনো আর বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে যুদ্ধক্ষেত্রে নামতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাননের এ বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক উত্তেজনা নয়, বরং যুদ্ধের নৈতিকতা নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—যেখানে যুদ্ধের মূল মূল্য দিচ্ছে সাধারণ নাগরিকরা, সেখানে ক্ষমতাবানদের পরিবার কেনো নিরাপদ দূরত্বে থাকবে?

এ প্রশ্নই এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
দিল্লির ককরোচ আন্দোলনে যোগ দেবেন মমতা!
সব ইসলামী দল এক হলেও ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়: আ ফ ম খালিদ
ইউরেনিয়াম ছাড়বে না ইরান, মজুতও দেবে না
রংপুরের চার খুনে ডিএনএ মিললো সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর
হুতিদের হামলায় রিয়াদে শতাধিক ফ্লাইট বাতিল
পানির ন্যায্য হিস্যায় ভারতের সঙ্গে ছাড় নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
জন্মদিনেও ‘অকারণ’-এ হিমি
প্রীতি জিনতার দল ছাড়লেন দুই অজি কোচ
মাইক্রোসফটসহ ৭ প্রতিষ্ঠানের ভিসা কর্মসূচি স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মেঘনার দুই সন্তান
রফিকুল ইসলাম মিয়া নন, মারা গেছেন আইনজীবী রফিকুল হোসেন
নরসিংদীর পুকুরে ‘জলপরীর গুজব’, নেপথ্যে কি?
সাহিত্যে নোবেল পেলেন অ্যান কারসন
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন
ধ্বংসাবশেষের ধাক্কা থেকে বাঁচলো বাংলাদেশের স্যাটেলাইট
রোহিঙ্গাদের ৫ শর্ত, না হলে ফিরতে নারাজ ৮৭%
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থতা, সরকারের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি ক্রিস্টা পাইকের