Sobar Desh | সবার দেশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:৪৯, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতিসংঘ–সমর্থিত প্রতিবেদন

রোহিঙ্গাদের গ্রাম গুঁড়িয়ে ঘাঁটি বানিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী

রোহিঙ্গাদের গ্রাম গুঁড়িয়ে ঘাঁটি বানিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিতাড়নের পর দেশটির সেনাবাহিনী পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গাদের গ্রাম, মসজিদ ও কবরস্থান ধ্বংস করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের জমি দখল করে সেখানে নিরাপত্তাচৌকি, সড়ক, স্থায়ী ভবন ও হেলিপ্যাড তৈরি করেছে সেনারা। 

জাতিসংঘ–সমর্থিত অনুসন্ধানী সংস্থা ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম)–এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে সরাসরি অভিযোগ করা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের গ্রাম গুঁড়িয়ে সেখানে নতুন সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে পুলিশের অন্তত ৩০টি তল্লাশি চৌকিতে সশস্ত্র হামলার পর সেনারা দমন অভিযান শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালাতে বাধ্য হয়। তখন বাংলাদেশে আশ্রয়ের ঢল নামে। বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারসহ বিভিন্ন শিবিরে বাস করছে। জাতিসংঘ এ দমন অভিযানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ ও নিপীড়নকে ‘জাতিগত নিধনের আদর্শ উদাহরণ’ বলে বর্ণনা করেছে।

আইআইএমএম জানিয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, স্যাটেলাইট ছবি, ভিডিও ফুটেজ ও সরকারি নথির ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেনারা রোহিঙ্গাদের জমির অধিকার সম্পর্কে ভালোভাবেই জানত, তবু পরিকল্পিতভাবে তা ধ্বংস করেছে। এ কাজে সরকারি চুক্তির আওতায় স্থানীয় ঠিকাদার, শ্রমিক ও যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীরা যুক্ত ছিলো।

উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে ইন দিন গ্রামের কথা বলা হয়েছে। সেখানে বসতি গুঁড়িয়ে নতুন স্থাপনা তৈরি করেছে সেনারা। ওই গ্রামেই ২০১৮ সালে ১০ জন রোহিঙ্গাকে হত্যার খবর প্রকাশ করেছিলো রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইন দিনসহ কয়েকটি গ্রামে ধ্বংসাবশেষের ওপর নতুন ঘাঁটি, সড়ক, সুরক্ষিত কম্পাউন্ড ও দুটি হেলিপ্যাড গড়ে তোলা হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগের দিন এ প্রতিবেদন প্রকাশ হলো। বৈঠকে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শরণার্থী সংকট ও মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার অচলাবস্থা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

অন্যদিকে, মিয়ানমারে ২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গৃহযুদ্ধ চলমান। রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় রোহিঙ্গারা আবারও সহিংসতার মুখে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু এ সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

রানি মৌমাছির টানে যুবকের শরীরে ‘চাক’
বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আ.লীগ কর্মীদের ভূরিভোজ
শত্রুর কৌশল এখন পুরোপুরি জানা—দাবি ইরানের
এলপি গ্যাসের দাম কমলো
রামিসার গোপনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে সোহেল
মায়ের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান
আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হবে: মমতা
ফ্রান্সের নির্বাচনে শ্রমিক রাজনীতির নতুন প্রার্থী আনাস কা-জিব
সিঙ্গাপুর ওপেনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট
প্রবাসীদের জন্য আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব সেবা
ডেঙ্গু মোকাবিলায় হামের চেয়েও দক্ষ হতে চায় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গিয়েছিলো আওয়ামী লীগ: ড. মঈন খান
বিএনপি নেতার জুয়ার আসরের ছবি ভাইরাল
জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ১৫ নেতাকর্মী
যুদ্ধ শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প, অনড় অবস্থানে ইরান