সমন্বিত হামলার দাবি বিএলএ’র
পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় ১২৫ সেনা নিহত
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কোয়েটাসহ অন্তত ১২টি শহরে অতর্কিত ও সমন্বিত হামলা চালানোর দাবি করেছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, এসব হামলায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১২৫ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থা ও সন্ত্রাসীবিরোধী ইউনিটের সদস্যও রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিএলএ জানায়, তারা বেলুচিস্তানের বিভিন্ন শহরে একযোগে এ অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেশন হেরোফ ফেজ টু’। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
বিএলএ’র বিবৃতিতে বলা হয়, প্রায় ১২ ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসনিক ভবন ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে হামলার দৃশ্য দেখা গেলেও, সেগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি।
বিএলএ’র মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ দাবি করেন, কোয়েটা ছাড়াও নশকি, মাসতুং, দালবানদিন, কালাত, খারান, পাঞ্চগুর, গোয়াদার, পানসি, তুরবাত, তুম্ব, বুলেদা, ম্যাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ ও আওরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একাধিক এলাকায় সাময়িকভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর চলাচল ব্যাহত হয়।
সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, এ অভিযানে তাদের সাতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
এদিকে পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী হামলার ঘটনা স্বীকার করলেও নিহতের সংখ্যা ও পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, বেলুচিস্তানে ভারত-সমর্থিত ৯২ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১৫ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করে আইএসপিআর।
ফলে বেলুচিস্তানে সাম্প্রতিক সহিংসতা ঘিরে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ও ঘটনার পরিধি নিয়ে পরস্পরবিরোধী দাবিতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক ধোঁয়াশা।
সবার দেশ/কেএম




























