অসন্তুষ্ট নারীদের জন্য ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব
যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণে দেশে যেন কোনও নারী অসন্তুষ্ট না থাকে—এমন লক্ষ্য সামনে রেখে আর্মেনিয়ায় ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে একটি নবগঠিত রাজনৈতিক দল। দেশটির আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এ প্রস্তাব ঘিরে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের অনলাইন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্মেনিয়ায় সদ্য গঠিত রাজনৈতিক দল ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সারগিস কারাপেতিয়ান দাবি করেছেন, দেশটিতে মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের রাজনৈতিকভাবে বেশি সক্রিয় হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো যৌন অসন্তুষ্টি।
এ সমস্যার সমাধানে আলাদা কোনও মন্ত্রণালয় প্রয়োজন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে কারাপেতিয়ান বলেন, অবশ্যই প্রয়োজন আছে। তার মতে, এমন একটি মন্ত্রণালয় গঠিত হলে আর্মেনিয়ার ক্রমহ্রাসমান জন্মহার মোকাবিলায়ও তা ভূমিকা রাখতে পারে।
দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠনের ধারণাটি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন আর্মেনীয় সমাজবিজ্ঞানী আর্মেন খাচিকিয়ান। তিনি ‘ট্রায়াঙ্গেল’ নামের একটি পডকাস্টে মন্তব্য করেন, নারীদের মধ্যে যৌন অসন্তুষ্টির কারণেই তারা রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে বেশি সক্রিয় হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ দলটি গঠিত হয় দেশটির প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সামভেল কারাপেতিয়ানের গ্রেফতারের পর। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে। ধারণা করা হচ্ছে, সামভেলের ভাতিজা নারেক কারাপেতিয়ান এ পদে মনোনয়ন পেতে পারেন।
আগামী জুনে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে পরিচালিত জনমত জরিপে দেখা গেছে, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ বর্তমানে ১৩ শতাংশ সমর্থন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ক্ষমতাসীন সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টি ১৭ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছে। জরিপে আরও বলা হয়, দেশটির প্রায় অর্ধেক ভোটার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
এ প্রস্তাবকে ঘিরে আর্মেনিয়ায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা যেমন বাড়ছে, তেমনি সমালোচনাও জোরালো হচ্ছে।
সবার দেশ/কেএম




























