গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯, আহত অন্তত ৩১
গাজা উপত্যকায় বুধবার ইসরায়েলি বিমান হামলা ও আর্টিলারি শেলিংয়ে তিন শিশুসহ অন্তত ৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩১ জন। গাজার প্যালেস্টিনিয়ান সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক হামলা ও গোলাবর্ষণের ফলেই এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় তাদের সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলে একজন কর্মকর্তা আহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ইসরায়েল এ ঘটনাকে গাজায় বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে। হামলাগুলো গাজায় অবস্থানরত এলাকার বাইরে তথাকথিত ইয়েলো লাইনের কাছাকাছি সংঘটিত হয়েছে বলে জানানো হয়।
মার্কিন মধ্যস্থতায় চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ অনুযায়ী গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় মোট ৫২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে গাজার কর্তৃপক্ষের হিসাব। একই সময়কালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার তথ্যমতে, গত শনিবার ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৭ জন নিহত হন। ইসরায়েলের দাবি, হামাসের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জবাব হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক হামলায় দক্ষিণ খান ইউনিসে তাঁবু ও বসতবাড়ি লক্ষ্য করে হামলার পর তিনটি মরদেহ নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পাশাপাশি গাজা সিটিতে হামলার ঘটনায় আরও ছয়টি মরদেহ আল শিফা হাসপাতালে পৌঁছেছে।
এ প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ জেরুজালেমে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে বলেন, গাজায় পুনর্গঠন শুরু করার আগে হামাসকে অস্ত্রহীন করতে হবে এবং পুরো গাজা উপত্যকাকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে।
এ প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে মানবিক করিডর, সহায়তা প্রবেশ বা যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার বিষয়ে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। এসব বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেলে চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
সবার দেশ/এফএস



























