৩০০ আসনে লড়বে গণঅধিকার পরিষদ: বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা পন্ড
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় কোনও দলের সাথে জোটবদ্ধ না হয়ে এককভাবে লড়াই করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নুরুল হক নুর নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ। দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিএনপির সঙ্গে কোনও ধরনের আসন সমঝোতায় না গিয়ে সারা দেশের ৩০০ আসনেই দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দেবে তারা।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় নির্বাহী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দলটির উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
রাজধানীতে আয়োজিত এ সভায় দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ছাড়াও সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় তৃণমূল ও কেন্দ্রীয় নেতারা একমত পোষণ করেন যে, গণঅধিকার পরিষদ দেশে একটি শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। নেতাদের বক্তব্যে উঠে আসে যে, বিগত সময়ে তারা রাজপথে সক্রিয় থেকেছে এবং কোনো অপশক্তির সঙ্গে আপস করেনি, তাই এককভাবে নির্বাচনের মাধ্যমেই তারা নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চায়।
এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা কিংবা নির্বাচনী জোট নিয়ে দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও আলোচনার আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটল। গণঅধিকার পরিষদ মনে করছে, এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত হবে। নির্বাচনের এ কৌশলগত অবস্থান ও পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে দলটি।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মাঝে আগামী ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। এরপর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গণঅধিকার পরিষদের এ একক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ভোটের মাঠে নতুন এক সমীকরণ তৈরি করতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























