আসছে নতুন রাজনৈতিক শক্তি
ঐক্যের পথে এনসিপি-গণঅধিকার পরিষদ
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে ঘটা করে আত্মপ্রকাশ করেছিলো নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি। তবে মাত্র সাত মাসের মাথায় দলটির শীর্ষ নেতারা আর এককভাবে রাজনীতিতে এগোতে চাইছেন না। বরং তারা এখন গণঅধিকার পরিষদের সঙ্গে একীভূত হয়ে নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।
দল দু’টির মধ্যে ইতোমধ্যেই অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের দফতর সম্পাদক ও উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিল উজ্জামান। তিনি জানান, দেশের মানুষ এখন তরুণ নেতৃত্ব চায় এবং সে চাহিদা থেকেই এ উদ্যোগ।
সূত্র জানায়, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণ নেতারা একসাথে কাজ করার উদ্দেশ্যে আলোচনা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
শাকিল উজ্জামান বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তরুণরা প্রমাণ করেছে যে তারা পরিবর্তনের জন্যই রাজনীতিতে এসেছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হলে তরুণ নেতৃত্বই মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবে। তিনি দাবি করেন, গণঅধিকার পরিষদই রাজপথের আন্দোলন থেকে জন্ম নেয়া একমাত্র রাজনৈতিক দল, যাদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নেই।
এনসিপি নেতা সারজিস আলম অবশ্য বাস্তবতার কথা তুলে ধরে বলেন,
ঐক্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নেতৃত্বের অবস্থান। একাধিক দল একীভূত হলে সবারই আহ্বায়ক বা সদস্য সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার আগ্রহ থাকে, ফলে ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া তরুণরা একসাথে কাজ করবেন।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তরুণ নেতৃত্বের এ সম্ভাব্য ঐক্য যদি সফল হয়, তবে এটি দেশের রাজনীতিতে নতুন এক শক্তির আবির্ভাব ঘটাতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























