দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শান্তি-শৃঙ্খলা হুমকিতে
১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে: জামায়াত আমির
সারা দেশে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তুলেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি এসব ঘটনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, অতি দ্রুত এ ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে। নেতাকর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে। আমরা দেশে শান্তিপূর্ণ রাজনীতি চাই। এভাবে হামলা চলতে থাকলে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট হবে।
নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার অভিযোগ, একই ধরনের ব্যালট ইস্যুতে ভিন্ন আসনে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঢাকা-৮ আসনে যে ব্যালট গ্রহণ করা হয়েছে, ঢাকা-১৩ আসনে তা বাতিল করা হয়েছে। একই ধরনের বৈষম্য জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের আসনেও হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা নতুন রাজনীতি চাই। নির্বাচনে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা আর কোনও ফ্যাসিবাদ চাই না। আমাদের উদারতাকে কেউ দুর্বলতা মনে করলে সেটা তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনবে।
সাম্প্রতিক সহিংসতার বিষয়ে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে যেসব অন্যায় হয়েছে, আমরা তার প্রতিকার চাই। আমরা প্রতিশোধ চাই না। নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগুলো বন্ধ করতে হবে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চাই।
ঋণখেলাপি প্রার্থীদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, অনেক প্রার্থী তথ্য গোপন করেছেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও তা আমলে নেয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। আমরা প্রতিকার চাই। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন, আমরা সহযোগিতা করবো, —বলেন জামায়াত আমির।
তিনি আরও বলেন, কিছু মানুষ জীবন দিয়ে ২০২৬ সালের নির্বাচন এনে দিয়েছে। অথচ বিভিন্ন জায়গায় ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনের ঘোষণা দেয়া হচ্ছে। এটি দুঃখজনক।
গণভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হয়েছে। এখন ‘জুলাই সনদ’ কার্যকর করতে হবে। তার ভাষায়, এ জুলাই সনদ একটি নতুন বন্দোবস্তের ভিত্তি।
সবার দেশ/কেএম




























