লেখক বৃত্তান্ত:

ডঃ মোহাম্মদ নূরুজ্জামান

ডঃ মোহাম্মদ নূরুজ্জামান

শিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান কর্মী
ড্যাফোডিল গ্রুপ সিইও।  

প্রবাসী থেকে উদ্যোক্তা—বাংলাদেশ কি প্রস্তুত?

প্রবাসী থেকে উদ্যোক্তা—বাংলাদেশ কি প্রস্তুত?

বাংলাদেশের উন্নয়ন আলোচনায় প্রবাসীরা দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন। তবে এ ভূমিকা প্রায় সবসময়ই সীমাবদ্ধ থেকেছে রেমিট্যান্স পাঠানোর মধ্যে। আমরা প্রবাসী কর্মীদের দেখেছি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎস হিসেবে, কিন্তু খুব কম ক্ষেত্রেই তাদের দেখা হয়েছে ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা কিংবা শিল্পায়নের অংশীদার হিসেবে। অথচ বিদেশে ১৫–২০ বছর কাজ করে ফিরে আসা একজন প্রবাসী শুধু অর্থ নয়—সঙ্গে করে নিয়ে আসেন দক্ষতা, কাজের শৃঙ্খলা, প্রযুক্তি ব্যবহার, মান নিয়ন্ত্রণের অভ্যাস এবং আন্তর্জাতিক বাজার বোঝার বাস্তব অভিজ্ঞতা। Remit–Return–Rebuild দর্শন এ জায়গাতেই একটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়।

দক্ষ কর্মী প্রেরণ ও জিরো মাইগ্রেশন কস্ট: ১০০ বিলিয়ন রেমিট্যান্সের চাবিকাঠি

দক্ষ কর্মী প্রেরণ ও জিরো মাইগ্রেশন কস্ট: ১০০ বিলিয়ন রেমিট্যান্সের চাবিকাঠি

[এই ধারাবাহিকের প্রথম পর্বে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স অর্জনের একটি সামগ্রিক ভিশন উপস্থাপন করা হয়েছিলো। বলা হয়েছিলো—বাংলাদেশ এখন জনমিতিক সুবিধার চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছে, এবং দক্ষ মানবসম্পদকে কৌশলগতভাবে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে সংযুক্ত করতে পারলে রেমিট্যান্স দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। সে লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন কাঠামোগত অর্থায়ন, নীতিগত সহায়তা এবং কর্মী প্রেরণের খরচ কমানোর বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা। এ পর্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—দক্ষ কর্মী প্রেরণ, জিরো মাইগ্রেশন কস্ট এবং রাষ্ট্রীয় রিভলভিং ফান্ডের প্রয়োজনীয়তা।]

শীর্ষ সংবাদ: