আমদানি বন্ধে ও টানাবৃষ্টিতে কাঁচা মরিচে আগুন
শারদীয় দুর্গোৎসবে একনাগাড়ে ৬ দিন আমদানি বন্ধ থাকা ও টানাবৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের বাজারে যেনো আগুন লেগেছে।
টানা বৃষ্টি ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারত থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় অস্থির হয়ে উঠেছে কাঁচা মরিচের বাজার। উপজেলায় বাজারগুলোতে প্রকারভেদে ২৮০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বেনাপোল, শার্শা, নাভারণ,ও বাগআঁচড়া বিকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচ প্রকারভেদে কেজিতে ২৫০টাকা বেড়ে ৪০০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও আমদানি বন্ধ থাকায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে দাম কিছুটা কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক দোকানি কাঁচা মরিচ বিক্রি করছেন না। যারা বিক্রি করছেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় কম পরিমাণে পাইকারি বাজার থেকে কাঁচা মরিচ সংগ্রহ করেছেন।
বেনাপোল বাজারে সবজি বিক্রেতা আলম বলেন, পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের পাল্লা ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকা। এরপর যাতায়াত খরচ তো রয়েছেই। প্রতিদিন এক থেকে দুই পাল্লা মরিচ আনলেও আজ ১ কেজি মরিচ এনেছি।
দুই একদিনের মধ্যে দাম না কমলে মরিচ বিক্রি বন্ধ করে দেবেন বলেও জানান তিনি।
তিন দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় তিনশো টাকা বেড়েছে বলে জানালেন নাভারন বাজারের তরকারি বিক্রেতা শাহজাহান মিয়া। তিনি বলেন, তিনদিন আগেও ১৬০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি করেছি। গতকাল ৩৫০ টাকা বিক্রি করলেও আজ পাইকারি বাজারেই কেজিতে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি করে লাভ করা কষ্টকর হয়ে গেছে বলে তিনি জানান।
এদিকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। ক্রেতারা বলছেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়াটা মেনে নেয়া যায় না। এজন্য বাজারে সরকারের মনিটরিং জোরদার করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৬ দিন দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। শনিবার (৪ অক্টোবর) থেকে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























