Sobar Desh | সবার দেশ ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৯:৫০, ৮ নভেম্বর ২০২৫

গলাচিপায় বিএনপি-গণঅধিকার সংঘর্ষে আহত ১৬

ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

ফরিদপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
ছবি: সংগৃহীত

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে কর্মসূচি পালনের সময় ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে পৌর বাজারের ওয়াপদা মোড় এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে হারুন শপিং কমপ্লেক্সে বিএনপির একাংশের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এছাড়া আগুন দেয়া হয় অন্তত ১২টি মোটরসাইকেলে এবং আশপাশের দোকানও ভাঙচুর করা হয়। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দীন মিয়া (ভিপি ঝুনু)-এর নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত। দুজনই ফরিদপুর-১ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।

বিকেলে উভয় পক্ষ মিছিল নিয়ে ওয়াপদা মোড়ে মুখোমুখি হলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিত পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন। পরে সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করে।

ভিপি ঝুনু অভিযোগ করেন, নাসিরুলের লোকজন আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে খন্দকার নাসিরুল ইসলাম দাবি করেন, আমাদের কর্মীদের ওপরও হামলা হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ জনতা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

বোয়ালমারী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে, একই দিনে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর কাজল ইউনিয়নের কপালবেড়া বাজারেও বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। আহতদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কপালবেড়া গ্রামের রাঢ়ি ও খলিফা পরিবারের মধ্যে পুরনো বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মশিউর রহমান শাহীন খন্দকার বলেন, বিএনপির কর্মীরা মিছিল শেষে ফেরার পথে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হামলা চালায়।

এ ঘটনায় বিএনপির নয়জন এবং গণঅধিকার পরিষদের সাতজন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইলিয়াস রাঢ়ি, সবুজ রাঢ়ি, নূরনবী রাঢ়ি, হাসান রাঢ়ি, কুদ্দুস ব্যাপারী, ইয়াকুব রাঢ়ি, ওমর রাঢ়ি, রাহান রাঢ়ি, সলেমান রাঢ়ি, আজমির খলিফা, সোহেল খলিফা, শাহাবুল খলিফা, আমেনা বেগম, নাঈম খলিফা ও নবীন খলিফা।

গলাচিপা থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কপালবেড়া বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন