ঘাড়ে পিস্তল ঠেকিয়ে করা হয় গুলি
চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর জনসংযোগে গুলি যে কারণে
চট্টগ্রাম নগরের চালিতাতলীর খন্দকারপাড়া এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগের সময় গুলির ঘটনায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহত হন জনসংযোগ বহরের অংশ সরোয়ার হোসেন। এ ছাড়া এরশাদ উল্লাহসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের মধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, এবং ইরফানুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশ জানিয়েছে, সরোয়ার হোসেনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর বিরোধ চলছিলো। হামলার সময় মাস্ক পরা একদল যুবক জনসংযোগের বহরে মিশে সরোয়ারের ঘাড়ে কাছ থেকে গুলি চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীরা মাইক্রোবাসে এসে জনসংযোগের মধ্যে মিলিত হয়েছিলেন এবং একের পর এক সাত থেকে আটটি গুলি করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সরোয়ারের ভাই আজিজ হোসেন জানান, কয়েকদিন আগে থেকে তার ভাইকে হত্যা হুমকি দেওয়া হচ্ছিলো। এরশাদ উল্লাহর জনসংযোগে নিরাপত্তা থাকার আশায় তারা সরোয়ারসহ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এ ঘটনা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সরোয়ারের হত্যাকাণ্ড পূর্ববিরোধের ফল, যেখানে বিএনপির জনসংযোগ শুধুমাত্র প্রেক্ষাপট সরবরাহ করেছে।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মূল লক্ষ্য সরোয়ার ছিলেন, প্রার্থীর বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া নির্বাচনের সময় কোনও দলের জনসভা বা গণসংযোগের ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
এরশাদ উল্লাহও গণসংযোগের আগে কমিশনারের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু পুলিশকে সে বিষয়ে কোনও তথ্য জানাননি।
সবার দেশ/কেএম




























