Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৯:১৫, ৬ এপ্রিল ২০২৬

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে কারা বাধা দিয়েছিলো—এনসিপি নেতার বিস্ফোরক দাবি

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণে কারা বাধা দিয়েছিলো—এনসিপি নেতার বিস্ফোরক দাবি
ফাইল ছবি

জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যু নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কে বা কারা তখন রাষ্ট্রপতি অপসারণে সম্মত হয়নি—এ প্রশ্নে সামনে এসেছে ভিন্নধর্মী ব্যাখ্যা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, শুধুমাত্র ছাত্রদের সিদ্ধান্ত নয়, বরং বড় রাজনৈতিক দলগুলোর অনীহার কারণেই তখন রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সে সরকারকে শপথ পড়ান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, যিনি আগের সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন।

আদিবের ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছাত্র সংগঠনগুলো শুরু থেকেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চেয়েছিলো। এমনকি ৬ আগস্ট আইন বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল-এর সঙ্গে ছাত্র প্রতিনিধিদের বৈঠকেও রাষ্ট্রপতি অপসারণের প্রস্তাব তোলা হয়।

তবে সে বৈঠকেই জানানো হয়, ওই মুহূর্তে রাষ্ট্রপতিকে সরানো হলে সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। ফলে সরকার গঠনের পর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়।

আদিব দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পেছনে তৎকালীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত ছিলো। ফলে রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেয়ার বিষয়টি শুধু ছাত্রদের ওপর চাপিয়ে দেয়া ঠিক নয়।

তার মতে, বাস্তবে বিএনপি-জামায়াতসহ বড় রাজনৈতিক শক্তিগুলো তখন রাষ্ট্রপতি অপসারণে একমত হয়নি বলেই তিনি স্বপদে বহাল থাকেন।

তিনি আরও বলেন, উপদেষ্টা পরিষদে দায়িত্ব নেয়ার আগে অনেকেই রাষ্ট্রপতি অপসারণের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও সরকার গঠনের পর সে অবস্থান থেকে সরে আসেন। বিশেষ করে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসিফ নজরুল এ বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারতেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে ‘জুলাই সনদ’ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ গ্রহণ বৈধতা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন পক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, ওই সময়কার রাজনৈতিক সমঝোতা, সাংবিধানিক বাস্তবতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের কারণে রাষ্ট্রপতি অপসারণের বিষয়টি বাস্তবায়ন হয়নি—যার প্রভাব এখনও দেশের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

টিকটকার ‘রিহিয়া রিহি’ই ছাত্রদলের রেদোয়ান
হরমুজ যুদ্ধ বিশ্বশক্তি বদলে দিচ্ছে: ইরান হচ্ছে চতুর্থ শক্তিকেন্দ্র
শার্শায় পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন
রাজনীতি না ক্রিকেট—সাকিবের স্পষ্ট বার্তা, স্ট্যাটাসেই ঝড়
তেলের খোঁজে বের হয়ে আর ফেরা হলো না দুই বন্ধুর
সংসদ অধিবেশন চলবে দুই বেলা, প্রয়োজনে শুক্রবারও
দড়ি ধরে মসজিদে যাওয়া অন্ধ শতবর্ষী মুয়াজ্জিন মারা গেছেন
গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করছে বিএনপি: সারজিস আলম
ট্রাম্পের হুমকিতে ইরানের ব্যঙ্গ—‘চাবি তো হারিয়ে গেছে’
বেনাপোলে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য জব্দ, কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা
অটোপাস দাবিতে বিক্ষোভ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে হেনস্তা
কান্না নয়, আনন্দে মেয়ের ডিভোর্স উদযাপন করলেন বাবা
নোয়াখালীতে তরমুজ খেতে নিয়ে নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার-১
ফুলবাড়ীর হিমাগারে আলু সংরক্ষণ জায়গা নেই, বিপাকে কৃষক
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাজেট বাড়ানোর তাগিদ