মদকাণ্ডে আলোচনায় মেহজাবীন, টার্গেট করার অভিযোগ অভিনেত্রীর
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটকের খবর এবং কাস্টমসের রহস্যজনক ছাড় পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, তার স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব ও পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্তকে ঘিরে। শনিবার একটি সংবাদমাধ্যম এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অনলাইনে তোলপাড় তৈরি হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার সময় গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময়ে তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিমানবন্দরে অ্যালকোহল বহন নিষিদ্ধ হলেও সে সময় মামলা না করে তাদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো মুচলেকা নেওয়া হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্মকর্তা মো. মোতাকাব্বির আলী নিয়ম অনুযায়ী জব্দকৃত পণ্যের রসিদসহ পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপযুক্ত শাখায় তথ্য পাঠান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই এভিয়েশন সিকিউরিটি কর্মকর্তাও মুচলেকা দিয়ে জানান, তারা উদ্ধার হওয়া মদের বিষয়ে কিছুই জানতেন না। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে মেহজাবীন ও রাজীবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি।
এরপর রোববার সকাল ১১টা ১৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে মেহজাবীন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে একটি মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার হওয়ার পর আদালতের রায়ে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন এবং সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন করে কাজ শুরু করার সময় আবার তার মানহানি করার চেষ্টা চলছে।
শোবিজ অঙ্গনে নারীদের সহজেই টার্গেট করা হচ্ছে বলেও এ অভিনেত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে অনেক শিল্পীকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি তার কাজের ওপর মনোযোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে ভক্তদের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
সবার দেশ/এফএস




























