হার্টের রিংয়ের দাম অর্ধেকে নামলো, প্রজ্ঞাপন জারি
হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্টের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বেশ কিছু স্টেন্টের মূল্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ওষুধ প্রশাসন-১ শাখা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিক মুনাফা এবং ভ্যাট-শুল্ক বিবেচনায় অ্যাবট, বোস্টন সায়েন্টিফিক এবং মেডট্রনিক কোম্পানির স্টেন্টের দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে।
কোন স্টেন্টের দাম কত হলো?
- মেডট্রনিকের ‘রিজলিউট অনিক্স’: ১,৪০,৫০০ টাকা থেকে কমে ৯০,০০০ টাকা
- বোস্টনের ‘প্রোমাস এলিট’: ৭৯,০০০ টাকা থেকে ৭২,০০০ টাকা
- বোস্টনের ‘প্রোমাস প্রিমিয়ার’: ৭৩,০০০ টাকা থেকে ৭০,০০০ টাকা
- সিনার্জি এক্সডি: ১,৮৮,০০০ টাকা থেকে ১,০০,০০০ টাকা
- সিনার্জি ও সিনার্জি শিল্ড: যথাক্রমে ১,১৭,০০০ ও ১,২০,০০০ টাকা থেকে কমে ৯০,০০০ টাকা
- অ্যাবটের ‘জায়েন্স প্রাইম’: ৬৬,৬০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা
- জায়েন্স আলপাইন ও জায়েন্স সিয়েরা: ১,৪০,৫০০ ও ১,৪০,০০০ টাকা থেকে ৯০,০০০ টাকা
- মেডট্রনিকের ‘অনিক্স ট্রুকর’: ৭২,৫০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা
তবে অ্যাবটের ‘জায়েন্স এক্সপেডিশন’ স্টেন্টের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি, সেটি আগের মতোই ৭১,৫০০ টাকায় বিক্রি হবে।

দাম কমলে কী সুবিধা পাবে রোগীরা?
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত দামের তালিকা দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। স্টেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ ৫ শতাংশের বেশি আদায় করা যাবে না। নির্ধারিত দামের বাইরে কোনও ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস ক্রয়ও নিষিদ্ধ।
স্বাস্থ্যসেবা বিশ্লেষকরা বলছেন, দাম কমায় সরকারি-বেসরকারি উভয় হাসপাতালে হৃদরোগ চিকিৎসার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। ফলে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারবেন।
সবার দেশ/কেএম




























