হামলার আগে কাতারকে অবহিত করে ইরান
এ হামলা ‘ভ্রাতৃপ্রতিম কাতারের’ বিপক্ষে নয়: ইরান
কাতারের রাজধানী দোহা সংলগ্ন আল উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বাড়লেও তেহরান বলছে, এটি কাতারের বিরুদ্ধে কোনো হামলা নয়।
সোমবার (২৩ জুন) রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ওই ঘাঁটিতে অন্তত ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান। এ হামলার জবাবে কাতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি তাদের ভৌগলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন এবং দেশটি এর জবাব দেয়ার অধিকার রাখে।
কাতারের এমন প্রতিক্রিয়ার পর ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বলা হয়, আল উদেইদ ঘাঁটি কাতারের আবাসিক এলাকা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং এ হামলা ‘ভ্রাতৃপ্রতিম কাতার’ কিংবা তাদের নাগরিকদের কোনও ধরনের হুমকি নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান কাতারের সঙ্গে উষ্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে চালানো এ হামলার আগেই কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছিলো বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। কাতার ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমেই এ অবহিতকরণ হয়।
তিনজন ইরানি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, হামলার ক্ষয়ক্ষতি যেনো সীমিত থাকে এবং সংঘাত যেনো ব্যাপক আকার ধারণ না করে, সে কারণে কাতারকে আগেই সতর্ক করা হয়।
এর আগেও ইরান একই কৌশল নিয়েছিলো। ২০২০ সালে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যার পর ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার আগে বাগদাদ সরকারকে অবহিত করেছিলো তেহরান।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এবারও একই কৌশলে ‘প্রতীকি জবাব’ দিয়েছে, যাতে উত্তেজনা সীমিত থাকে এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর ঝুঁকি না বাড়ে।
সবার দেশ/কেএম




























