Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০০:৩১, ৯ এপ্রিল ২০২৬

স্বাদ ঠিক রেখে ইলিশ বাড়াতে নতুন গবেষণার তাগিদ

স্বাদ ঠিক রেখে ইলিশ বাড়াতে নতুন গবেষণার তাগিদ
ফাইল ছবি

দেশের জনপ্রিয় মাছ ইলিশ-এর স্বাদ ও গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন গবেষণার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘ইলিশ গবেষণা: অর্জিত সাফল্য, জাটকা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন জরুরি, যাতে ইলিশের স্বাভাবিক স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে উৎপাদন বাড়ানো যায়। এতে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেও ইলিশকে আনা সম্ভব হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অনেক অঞ্চলে এখন ইলিশের সংকট প্রকট হয়ে উঠছে, যা শুধু অর্থনৈতিক নয়, খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত।

তিনি আরও বলেন, জাটকা সংরক্ষণ, ডিমের সঠিক পরিস্ফুটন এবং পোনা ইলিশের বেঁচে থাকার হার বাড়াতে বিজ্ঞানীদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণেও পরিকল্পিত গবেষণা প্রয়োজন। জেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাটকা ধরা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগের প্রস্তাব তাদের কাছ থেকেই আসা উচিত, কারণ নদী ও জালই তাদের জীবিকার মূল ভিত্তি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই বাংলাদেশে হয়। তিনি বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য, তাই এ সম্পদ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। জাটকা ধরা পুরোপুরি বন্ধ করা গেলে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাটকা সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে ৮০ কেজি চাল, ১২ কেজি আটা, ১০ লিটার তেল, ৪ কেজি চিনি, ৮ কেজি ডাল ও ১৬ কেজি আলু দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্র-এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন। এছাড়া বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদফতর-এর মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন ড. কাজী আহসান হাবীব এবং মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক ড. মোতালেব হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব, তবে সে সঙ্গে এর স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য রক্ষা করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সবার দেশ/কেএম

সম্পর্কিত বিষয়:

শীর্ষ সংবাদ:

রানি মৌমাছির টানে যুবকের শরীরে ‘চাক’
বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে আ.লীগ কর্মীদের ভূরিভোজ
শত্রুর কৌশল এখন পুরোপুরি জানা—দাবি ইরানের
এলপি গ্যাসের দাম কমলো
রামিসার গোপনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে সোহেল
মায়ের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমান
আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হবে: মমতা
ফ্রান্সের নির্বাচনে শ্রমিক রাজনীতির নতুন প্রার্থী আনাস কা-জিব
সিঙ্গাপুর ওপেনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট
প্রবাসীদের জন্য আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব সেবা
ডেঙ্গু মোকাবিলায় হামের চেয়েও দক্ষ হতে চায় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গিয়েছিলো আওয়ামী লীগ: ড. মঈন খান
বিএনপি নেতার জুয়ার আসরের ছবি ভাইরাল
জানাজা শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ১৫ নেতাকর্মী
যুদ্ধ শেষ করতে চাইছেন ট্রাম্প, অনড় অবস্থানে ইরান