Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:১৮, ২২ অক্টোবর ২০২৫

আপডেট: ১৫:১৯, ২২ অক্টোবর ২০২৫

ট্রাইব্যুনালে সেনা কর্মকর্তাদের আইনজীবী

‘আত্মসমর্পণকারী সেনা কর্মকর্তারা নির্দোষ, অপরাধীরা ভারতে’

‘আত্মসমর্পণকারী সেনা কর্মকর্তারা নির্দোষ, অপরাধীরা ভারতে’
ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আত্মসমর্পণ করা ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে নির্দোষ দাবি করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এম সরোয়ার হোসেন। তার দাবি, এ মামলার প্রকৃত অপরাধীরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে গেছেন, আর যারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন, তারা আইন ও ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অফিসার।

বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী সরোয়ার হোসেন বলেন, 

এর আগে সেনা সদর থেকে সংযুক্ত হওয়া ১৫ জন অফিসার আজ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা সিনিয়র ও অভিজ্ঞ অফিসার। আমরা আশাবাদী, তারা আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাবেন।

ট্রাইব্যুনালের আদেশে এ সেনা কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। পরে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে আনা হয়েছে। তবে আইনজীবী সরোয়ার হোসেন তা নাকচ করে বলেন, 

আমরা জানি, তারা আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশের মাধ্যমে কোর্টে সারেন্ডার করলেও সেটাকে প্রসিকিউশন গ্রেফতার বলছে। তারা কখনোই গ্রেফতার ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, সেনা সদরও জানিয়েছিলো, তারা আর্মি হেফাজতে ছিলেন।

আইনজীবী সরোয়ার হোসেন দৃঢ়ভাবে দাবি করেন, এ অফিসাররা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং নির্দোষ। তারা আদালতের মাধ্যমে তা প্রমাণ করবেন। তিনি আরও যোগ করেন, যারা প্রকৃত অপরাধী, তারা ভারতে পালিয়ে গেছেন।

তিনি নাম উল্লেখ করে বলেন, 

পালিয়ে যাওয়া অপরাধীরা হলেন জেনারেল কবির, জেনারেল আকবর, জেনারেল তারিক সিদ্দিকী ও জেনারেল মুজিব।

গত ৮ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলায় মোট ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে দুটি মামলা বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-নির্যাতনের ঘটনায় এবং একটি মামলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে দায়ের করা হয়।

১১ অক্টোবর সেনা সদর থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৫ জন কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

এ মামলাগুলোর আসামির তালিকায় আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। এর মধ্যে আল-মামুন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

আইনজীবী সরোয়ার হোসেন দাবি করেন, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন এখন অ্যাপ্রুভার। তিনি স্বীকার করেছেন, যা কিছু হয়েছে, তা শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে। মাঠপর্যায়ে কারও নিয়ন্ত্রণ ছিলো না।

আত্মসমর্পণকারী সেনা কর্মকর্তারা হলেন:

  • মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সরোয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন