Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:২২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৯:২৩, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই—এনসিপির সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই—এনসিপির সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পর্যবেক্ষণ, আশঙ্কা ও বিভিন্ন উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন এনসিপি নেতারা। এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকারের ভূমিকার ওপর জোর দেন তারা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

এনসিপি নেতারা বৈঠকে জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন। একই সঙ্গে তারা নির্বাচনের মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। নির্বাচন নিয়ে যেকোনও অনিয়ম বা বৈষম্যের বিরুদ্ধে সরকারকে আগেভাগেই কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান তারা।

জবাবে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ বা পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাতে হবে। সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে এবং কেউ যেন আইন অমান্য করতে না পারে সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনও পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটি দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশকে পাল্টে দেয়ার নির্বাচন, তাই এটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতেই হবে।

নির্বাচনী নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র জানুয়ারি মাসের মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকবে। এসব ক্যামেরা কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটর করা হবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা চালাচ্ছে। কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়া প্রয়োজন এবং এর মাধ্যমে কী পরিবর্তন আসতে পারে, তা জনগণের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। এ বিষয়ে সব রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়। নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। এ জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক রোববার
আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, পরবর্তী গন্তব্য চীন
জাতিকে দেয়া ওয়াদা রাখেনি বিএনপি: জামায়াত আমির
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিলো বিজিবি-জনতা
লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আ.লীগের মামলা
ট্রাম্পকে ৪০ কোটি ডলারের বিমান উপহার দিলো কাতার
উত্তরের চার জেলায় বন্যার শঙ্কা
৪৮/০ থেকে পাকিস্তানের ধস, বাংলাদেশি মেয়েদের অবিস্মরণীয় জয়
হারলেও বিদায় নয়! ব্রাজিলের সামনে যত নকআউট সমীকরণ
লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের
নিজ নামে স্কুলের নামকরণ বন্ধে শাহে আলমের চিঠি
চীনা জে-১০সিই কিনছে বাংলাদেশ, উদ্বিগ্ন ভারত
আওয়ামী লীগ এখন রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক: আসিফ মাহমুদ
বিতর্কের মুখে ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ নাম বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
বিএনপির ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা জামিন পাচ্ছে: নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী