ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে লড়বেন বিএনপির হয়ে
পদত্যাগ করে ভোটের ময়দানে অ্যাটর্নি জেনারেল
নির্বাচনি লড়াইয়ে অংশ নিতে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী
অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ না থাকায় তিনি ভোট শুরুর আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন। তার পদত্যাগপত্রটি এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে।
সংক্ষিপ্ত কর্মকাল ও রাজনৈতিক পরিচয়
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হওয়ার আগে থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
- দলীয় পদ: তিনি বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক।
- আইনজীবী হিসেবে ভূমিকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় দলের হয়ে আইনি লড়াইয়ে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন।
নির্বাচনি সমীকরণে প্রভাব
ঝিনাইদহ-১ আসনটি দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও আসাদুজ্জামানের প্রার্থিতা এ এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ঝিনাইদহের এ কৃতি সন্তানকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে অত্যন্ত সজ্জন ও দক্ষ আইনজীবী হিসেবে পরিচিত আসাদুজ্জামান এখন আইনি লড়াই ছেড়ে সরাসরি গণমানুষের রায়ের অপেক্ষায় নামছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের এ পদত্যাগের ফলে এখন দেশের পরবর্তী প্রধান আইন কর্মকর্তা কে হচ্ছেন, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পাড়ায় জল্পনা শুরু হয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























