ইরানের ‘৮০ মাথার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আতঙ্কে ইসরায়েল
ইরানের সামরিক বাহিনী সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপকভাবে ক্লাস্টার মিউনিশন বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহার করছে, যা সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, চলতি মার্চ মাসে চালানো প্রায় ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অর্ধেকই এই ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ছিল। গত বছরের জুনের স্বল্পস্থায়ী সংঘর্ষের তুলনায় এবার এ ধরনের মারণাস্ত্রের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
একটি ক্লাস্টার বোমা আকাশে ফেটে অনেকগুলো ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়, যা কয়েক কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় পড়তে পারে। ইরানের খোররামশহর-৪, সেজ্জিল-২ ও ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বর্তমানে ৫০ থেকে ৮০টি ছোট বোমা বহন করতে সক্ষম। এ প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হলো এক হামলায় বৃহৎ অঞ্চলের সামরিক বা বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা।
সর্বাধিক আতঙ্কজনক দিক হলো, এ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসক্ষমতা অনির্দিষ্ট। জনবহুল শহর বা আবাসিক এলাকায় বিস্তার পেলে ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব। সাম্প্রতিক হামলায় মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
এছাড়া, অনেক ছোট বোমা তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে থেকে যায়, যা ল্যান্ডমাইন বা ‘জীবন্ত বোমা’-এর মতো কাজ করে। বছরের পর বছর এগুলো মাটির নিচে বা ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে থাকতে পারে এবং যেকোনো সময় স্পর্শে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
সবার দেশ/কেএম




























