যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রেসিপ্রোকাল ট্রেড চুক্তি, শুল্ক আরও কমলো
রফতানি পণ্যে শুল্ক কমিয়ে সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে, যা রফতানিকারীদের প্রতিযোগিতায় সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক রফতানিতে শুল্ক শূন্য রাখা হয়েছে, ফলে পোশাক খাতের ওপর আমদানি শুল্ক আরোপ থাকবে না।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র রেসিপ্রোকাল ট্রেড (আরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরও সম্প্রসারিত করবে এবং বাংলাদেশি রফতানি পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও যুক্তরাষ্ট্র পক্ষে জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
চুক্তি অনুযায়ী:
বাংলাদেশি রফতানি পণ্যে শুল্ক কমিয়ে সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হবে, যা রফতানিকারীদের প্রতিযোগিতায় সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রফতানিতে রেসিপ্রোকাল শুল্ক শূন্য রাখা হয়েছে, ফলে পোশাক খাতের ওপর আমদানি শুল্ক আরোপ থাকবে না।
বিশ্লেষকরা বলছে, এর ফলে বাংলাদেশি রফতানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ সহজ হবে এবং বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে সহায়তা মিলবে। এ নতুন ব্যবসায়িক পরিবেশ দেশের রফতানি খাত ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সর্বশেষ আপডেটে, নতুন আরটি চুক্তি কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাজ করবে এবং বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াবে—এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ শিগগিরই জানাবে।
সবার দেশ/কেএম




























