ভরিতে কমল ৩ হাজার ১৪৯ টাকা
টানা বৃদ্ধির পর সোনার দামে পতন
টানা ছয় দফা মূল্য বৃদ্ধির পর অবশেষে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন এসেছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভরিতে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। নতুন এ দাম শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে দেশের সব জুয়েলারি বাজারে কার্যকর হবে।
বাজুস জানায়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দাম হ্রাস পাওয়ায় স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকা স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। একই হিসাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকা।
বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি ভরিতে ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিলো ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, যা ছিলো দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। সে সময় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিলো ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিলো ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও কাটছাঁট করা হয়েছে। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট রুপার দাম ভরিতে ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
টানা মূল্য বৃদ্ধির পর স্বর্ণ ও রুপার দামে এ পতনকে বাজারে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা।
সবার দেশ/কেএম




























