Sobar Desh | সবার দেশ সবার দেশ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬:১২, ৭ আগস্ট ২০২৫

আপডেট: ১৬:১৮, ৭ আগস্ট ২০২৫

১৭ কোটি টাকা ও যমুনা স্পেস ক্রোক

রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা

রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা
ফাইল ছবি

রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে ৮৭৮ কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একইসঙ্গে আদালতের আদেশে ১৩টি ব্যাংক হিসাবের প্রায় ১৭ কোটি টাকা এবং যমুনা ফিউচার পার্কের ১ লাখ বর্গফুট কমার্শিয়াল স্পেস ক্রোক করা হয়েছে।

সিআইডির মিডিয়া শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়।

কীভাবে ঘটেছে পাচার ও প্রতারণা

সিআইডির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রংধনু বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে রফিকুল ইসলাম ও তার ঘনিষ্ঠরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জমি কিনে বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।

প্রতারণার একটি বড় কেলেঙ্কারিতে দেখা গেছে,

২০২২ সালের ৮ মার্চ রফিকুল ইসলামের ছেলে কাউসার আহমেদ অপু ও সহযোগী মেহেদী হাসান দিপু বাংলাদেশ পুলিশ অফিসার্স বহুমুখী সমবায় সমিতির কাছে ৭.৫৭ একর জমি বিক্রি করেন। এরপর ওই জমির মধ্য থেকে ৬.৩৩ একর জমি একই বছরের ১ জুন ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টিজ (বসুন্ধরা গ্রুপ)–এর কাছে পুনরায় বিক্রি করে ৫৭ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেন।

ভুয়া কার্যাদেশ ও জালিয়াতি

এছাড়া সমবায় সমিতিতে বালু ভরাটের নামে ভুয়া কার্যাদেশ তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ২৭০ কোটি টাকা এবং ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে ২০০ কোটি টাকা ঋণ নেন।

একইসঙ্গে ইসলামী ব্যাংক বারিধারা শাখা থেকে ভূয়া মূল্যায়ন প্রতিবেদন দেখিয়ে সম্পত্তির অতিমূল্যায়নের মাধ্যমে আরও ৪০০ কোটি টাকার ঋণ আদায় করেন। সবমিলিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত এই অর্থ বিদেশে পাচার করে রফিকুল ইসলাম অ্যান্টিগা ও বারবুডার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে।

মানিলন্ডারিং আইনে মামলা

এ সকল কর্মকাণ্ড মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫)–এর ধারা ২ এর শ (৫)(৬)(১৪) অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় সিআইডি রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেছে (মামলা নম্বর–১৪, তারিখ: ৭ আগস্ট ২০২৫)।

সিআইডি ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিতে আসামিদের ১৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে, যার মোট স্থিতি প্রায় ১৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি যমুনা ফিউচার পার্কের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ১ লাখ বর্গফুট বাণিজ্যিক স্পেসও ক্রোক করা হয়েছে।

সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ অনুসন্ধান ও মামলা চলমান রয়েছে এবং অন্যান্য জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত আছে।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
সংসদমুখী পদযাত্রায় ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান
মিরাজ নিখোঁজে ‘গুমের কাহিনী’ সাজানোর চেষ্টা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রংপুরে চার খুন হত্যায় সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই ডিবি হেফাজতে
আ.লীগ ফেরার বাতাস শুধু ভারত-সোশ্যাল মিডিয়ায়: সারজিস
ঝুলন্ত সেতু পানিতে তলিয়ে চলাচল বন্ধ রাঙামাটিতে
পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের আনাগোনা, উদ্বিগ্ন ভারত
২৪ ঘণ্টায় বন্যার শঙ্কায় দুই জেলা
নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
গুমের প্রতিটি ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত ও বিচার চান নাহিদ
কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন
আইফোন ১৮ প্রো সিরিজ আসছে সেপ্টেম্বরে, থাকছে যেসব ফিচার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের সাক্ষাৎ
সরে দাঁড়ালো কওমি, এনসিপির অনুষ্ঠানের এবার বাধা হলো প্রশাসন
লাশের পাহাড় নেপাল, মর্গে ঠাঁই নেই
দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ