Sobar Desh | সবার দেশ মো. সিহাব আলী, জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০০:২২, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

পাঠিয়েছিলাম ডিগ্রি নিতে, ছেলে লাশ হয়ে ফিরেছে: জুবায়েদের বাবা

পাঠিয়েছিলাম ডিগ্রি নিতে, ছেলে লাশ হয়ে ফিরেছে: জুবায়েদের বাবা
ছবি: সবার দেশ

আমার ছেলে জুবায়েদকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পাঠিয়েছিলাম একটা ডিগ্রী অর্জনের জন্য কিন্তু সে এখন আমার বাড়িতে লাশ হয়ে ফিরে এসেছে। বলছেন টিউশন বাসায় হত্যার শিকার জুবায়েদের বাবা মোবারক হোসেন।

রোববার (২৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল নেতা হাসিবুল ইসলামের ও জোবায়েদ হোসেনের নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে একথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আপনাদের কাছে একটাই চাওয়া, আমার ছেলের হত্যাকারীর যেন দ্রুত বিচার হয়। তাছাড়া আমার আর কিছু চাওয়ার নেই।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমীন, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক শেখ গিয়াসউদ্দিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইছ্ উদদীন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের  সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল, সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন সহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান এবং সাবেক নেতাকর্মীরা।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, আমরা বলি না যে আমাদের শতভাগ নেতাকর্মী জুবায়েদ ও সাম্যের মতো নৈতিক চরিত্রের। কিছু খারাপও আছে। আমরা সেটা স্বীকার করে রাজনীতি করি।

স্বল্প সময়ে আমাদের অনেক নৈতিক চরিত্রের নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। আমরা স্বীকার করি, কিছু খারাপও আছে, তবে বেশিরভাগই নৈতিক চরিত্রের অধিকারী আমরা সেটা মেনে রাজনীতি করি।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ১৪২ শহীদ হয়েছেন। কিন্তু জুলাই পরবর্তী সময়ে সাম্য ও জুবায়েদের মতো নেতাকর্মীদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ হত্যার পর প্রশাসন গড়িমসি করেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, জুবায়েদ ও হাসিবুরের এ দোয়া মাহফিলে একটি কবিতা লাইন মনে পড়ে যায়, এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরণে হাসিবে তুমি কাদিবে ভুবন। তাদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি। বাবা-মার পরে শিক্ষক সমাজই শিক্ষার্থীদের দুঃখ-কষ্ট নেয়। কিন্তু মৃত্যু কষ্টের। আমরা যাদেরকে আঘাত করি না, তাদের মৃত্যু সভায় আমাদের উপস্থিত হতে হচ্ছে। যা অত্যন্ত কষ্টের।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, হাসিব দেশকে স্বৈরাচার মুক্তির জন্য ভূমিকা রেখেছে। তার সে লক্ষ্য পূরণ করতে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একই সাথে জুবায়েদের মৃত্যুর সঠিক বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে। এতে তার আত্মা, পরিবার সকলেই শান্তি পাবে। এবং ভবিষ্যৎে এধরনের ঘটনা ঘটবে না। 

তিনি আরও বলেন, আমরা সকলের সহযোগিতায় এটার দ্রুত প্রতিকার পেয়েছি। আমরা খবর পেয়েছি দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে দেয়া হবে। আজ সকালেও আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বনামধন্য একটি উকিল দেয়ার ফাইল তৈরি করেছি। নিয়মতান্ত্রিক যত উপায় আছে, আমরা সব দিক থেকে চেষ্টা করবো। তাদের পরিবারের প্রত্যাশা, যেনো সুষ্ঠু বিচার সুনিশ্চিত করতে পারি।

সবার দেশ/কেএম

শীর্ষ সংবাদ:

পাঁচ অস্ত্রসহ গ্রেফতার লিটন গাজী সম্পর্কে সব জানালো পুলিশ সুপার
আনসার ভিডিপি ব্যাংকের ৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেফতার
লালমনিরহাটে স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন
ভোলাহাটে বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু
সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দালাল চক্রের খপ্পরে
বাংলাদেশ সীমান্তে পঁচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ
সুদের টাকার জন্য নোয়াখালীতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার-১
ইমরান খান বেঁচে আছেন, দেশ ছাড়তে চাপ: পিটিআই
হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতি মামলার রায় আজ
শুরু হলো বিজয়ের মাস
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে ভারত জড়িত
খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে জামায়াত সেক্রেটারি
স্কুল ভর্তির লটারি ১১ ডিসেম্বর
বিডিআরকে দুর্বল করে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাতেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ছয় উপসচিবের দফতর পরিবর্তন