যশোরে একাধিক নারীর সঙ্গে চিকিৎসকের পরকীয়া!
যশোরে 'জ' আদ্যক্ষরের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারের তিন নারী সহকারী ও এক বীমা কর্মীর সাথে তার পরকীয়ার ঘটনা নিয়ে জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে৷ একজনকে ছেড়ে আরেকজনের সাথে পরকীয়া তার নেশায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু সম্মানের ভয়ে কেউ মুখ খোলেন না।
বর্তমানে ওই চিকিৎসক মোটা অংকের টাকা দিয়ে এক বীমা কর্মীর জমি কিনে দিয়েছেন বলে বেশ সমালোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, ওই চিকিৎসক নারীলোভী হিসেবে পরিচিত। তার কর্মকাণ্ডে চিকিৎসক সমাজের দুর্নাম হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই চিকিৎসক ব্যক্তিগত চেম্বারের 'স' আদ্যক্ষরের এক সহকারীর সাথে পরকীয়ায় জড়ায়। তার সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সময় ধরাও পড়ে। বিষয়টি প্রথমে গোপন থাকলেও ফাঁস হওয়ার পর ওই সহকারীকে আরেক বেসরকারি হাসপাতালের কাজের সুযোগ করে দেয়া হয়।
পরে তার 'প' আদ্যক্ষরের আরেক সহকারীকে আনা হয়। ওই চিকিৎসক তার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। সে পরকীয়ার ঘটনাও বেশিদিন গোপন থাকেনি। এরপর 'ট' আদ্যক্ষরের আরেক সহকারীর সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হন তিনি। তার সাথে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, ব্যক্তিগত চেম্বারে তার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন তিনি। পরে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ওই সহকারীকে অন্যত্র বিয়ের ব্যবস্থা করে দেন ওই চিকিৎসক।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নারী জানান, তার সাথে দীর্ঘদিন পরকীয়া সম্পর্কের পর স্বার্থ শেষে এখন তাকে ছুঁড়ে ফেলেছেন ওই চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি এক বীমা কর্মীর সাথে চুটিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। যশোর শহরের লোন অফিস পাড়ায় বসবাসকারী 'ম' আদ্যক্ষরের ওই বীমা কর্মীকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছেন জমি কেনার জন্য৷ এছাড়া ঢাকায় তার মেয়ের লেখাপড়া করার খরচও বহন করছেন। বীমা কর্মী নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য অল্প বয়সের মেয়েদের সাথে ওই চিকিৎসকের পরিচয় করিয়ে দেন। এছাড়া ওই কর্মী নিজের ভাড়া বাড়িতে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ করে দিয়ে চিকিৎসকের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেন।
তিনি আরও জানান, ওই চিকিৎসক নারী লোভী হিসেবে পরিচিত। অল্প বয়সের দুই জন সেবিকার সাথে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। এরমধ্যে এক সেবিকার সাথে প্রায় একান্তে সময় পার করেন তিনি। এ নিয়েও তিনি সমালোচিত হচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই চিকিৎসকের সাবেক এক সহকারী জানান, মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের 'ম' আদ্যক্ষরের এক তরুণির সাথে ওই চিকিৎসকের গোপন সম্পর্ক ছিলো। ওই তরুণি প্রায় চেম্বারে এসে একান্তে সময় পার করতেন। এছাড়া 'ম' আদ্যক্ষরের আরেক তরুণি বান্ধবী পরিচয়ে প্রায় ওই চিকিৎসকের চেম্বারে আসতেন। চেম্বারে ৩০/৪০ মিনিট সময় কাটিয়ে চলে যেতেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন চিকিৎসক জানান, 'জ' আদ্যক্ষরের ওই চিকিৎসকের কর্মকাণ্ডে তারা রীতিমতো বিব্রত হচ্ছেন। তার একাধিক পরকীয়ার ঘটনা অনেকের মুখে মুখে। ফলে চিকিৎসক সমাজের দুর্নাম হচ্ছে। চিকিৎসকের ওপর থেকে মানুষের আস্থা হারাচ্ছে৷ ফলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে তাকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে তারা মনে করেন।
সবার দেশ/কেএম




























