জন্ম নিচ্ছে নতুন এক রাজনৈতিক নেতৃত্ব
হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য: আলোহারা মাহবুবের পাশে দাঁড়ালেন হাসনাত
মাহবুব—একসময় ক্যামেরার লেন্সে জীবনকে বন্দি করা একজন প্রতিভাবান ফটোগ্রাফার। শহরের নানা অনুষ্ঠান, মানবিক গল্প, প্রকৃতি—সবকিছুই তার চোখে ছিলো আলোর খেলা। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছোড়া গুলিতে সে আলোকিত দুই চোখ চিরতরে নিভে যায়। অন্ধকার নেমে আসে তার জীবনে, আর সে অন্ধকারেই হারিয়ে যায় তার পরিবারও—চলে যায় স্ত্রী।
একসময়ের হাসিখুশি যুবক মাহবুব এখন বেঁচে থাকার লড়াইয়ে একা।
শনিবার নারায়ণগঞ্জে এনসিপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন দলের আলোচিত নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। সাধারণ রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই হঠাৎ বদলে যায় পরিবেশ—হাসনাত নিজের চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে পাশে বসা অন্ধ ফটোগ্রাফার মাহবুবকে নিজের আসনে বসতে দেন। শুধু তাই নয়, তাকে মিষ্টিমুখ করিয়ে সম্মানের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন উপস্থিত সবাইকে।
হাসনাতের সে আচরণে মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। রাজনীতির কঠিন মুখোশের আড়ালে মানবিকতার এমন উষ্ণতা আজকাল বিরল—আর সে বিরল দৃশ্যটিই যেন নতুন এক প্রতীকে রূপ নিলো।
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যদি কোনও নেতা নতুনভাবে উঠে এসে মানুষকে আশার সঞ্চার করে থাকেন, তাহলে অনেকেই নিঃসন্দেহে বলছেন—সেটি হাসনাত আবদুল্লাহ। তার সাহস, বিচক্ষণতা, আন্তরিকতা, আপোষহীন অবস্থান এবং মানুষের প্রতি সত্যিকারের দরদ তাকে বর্তমানে আলাদা করে তুলে ধরেছে।
মাহবুবের অন্ধকার জীবনে সামান্য আলো ফিরিয়ে দেয়ার এ প্রতীকী মুহূর্তটি অনেকের ভাষায়—‘নেতা জন্মানোর দৃশ্য’।
সবার দেশ/কেএম




























