জাতীয় দিবসে মানবিক বার্তা শাসকদের
আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দির মুক্তি
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৫৪তম জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ উপলক্ষে দেশটির শাসকরা ৪৪০ জন বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্তকে আমিরাতের দীর্ঘদিনের মানবিক ঐতিহ্য ও সহানুভূতিশীল শাসনদর্শনের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বুধবার ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদযাপনের অংশ হিসেবেই এ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় দিবস উপলক্ষে আমিরাতজুড়ে বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও মুক্তি দেয়া হয়েছে।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি বছর জাতীয় দিবস, ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকরা দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য রাজকীয় ক্ষমা ঘোষণা করে থাকেন। এর মূল লক্ষ্য হলো ক্ষমাশীলতার চর্চা, বন্দিদের সমাজে পুনরায় অন্তর্ভুক্তি এবং পরিবারগুলোর পুনর্মিলন নিশ্চিত করা।
কর্মকর্তারা জানান, ২০২৫ সালের শেষভাগে ঘোষিত এ ক্ষমা কর্মসূচির আওতায় বিপুলসংখ্যক বন্দি মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন, যারা দীর্ঘদিন কারাভোগের পর নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ পাচ্ছেন। পরিবার ও সমাজে ফিরে যাওয়ার এ সুযোগ তাদের জন্য নতুন আশার দুয়ার খুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, এ পদক্ষেপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসকদের মানবিক মূল্যবোধ, উদারতা ও সহানুভূতির প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
প্রসঙ্গত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস ইদ আল ইতিহাদ প্রতি বছর ২ ডিসেম্বর উদযাপিত হয়। ১৯৭১ সালে সাতটি আমিরাত এক পতাকার নিচে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করতেই এ দিনটি উদযাপন করা হয়। দিনটি উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আনুষ্ঠানিকতা ও মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
সবার দেশ/কেএম




























