প্রবাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের নতুন স্বীকৃতি
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়ক
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, মিশিগানের হ্যামট্রমিক শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ এখন থেকে বেগম খালেদা জিয়ার নামেই পরিচিত হবে। শহর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতি একটি ব্যতিক্রমী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
জানা গেছে, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও স্ট্রিট ও কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি বেগম খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাব সম্প্রতি সিটি কাউন্সিলে উত্থাপিত হয় এবং তা অনুমোদন পায়। বর্তমানে হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিলে চারজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের সক্রিয় ভূমিকা ও উদ্যোগেই এ নামকরণ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশ মনে করছেন, এটি কেবল একটি সড়কের নাম পরিবর্তন নয়; বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রাম, নেতৃত্বের ইতিহাস এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থানের একটি দৃশ্যমান দলিল। তাদের মতে, বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী দেশে একজন বাংলাদেশি নেত্রীর নামে সড়ক নামকরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতাদের নামে সড়ক নামকরণ এ প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিলো। মিশিগানে খালেদা জিয়ার নামে সড়ক যুক্ত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের রাজনীতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় স্থায়ী রূপ পেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় প্রবাসীরা আরও বলেন, এ উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকানরা দেশের ইতিহাস, রাজনৈতিক আন্দোলন এবং জাতীয় নেতৃত্বের ভূমিকা সম্পর্কে আরও সচেতন হবে। একই সঙ্গে এটি প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক প্রভাব ও সক্ষমতারও প্রতিফলন।
বৈচিত্র্যময় জনপদের জন্য পরিচিত হ্যামট্রমিক শহরে বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নামে সড়ক নামকরণ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী নেতারা।
সবার দেশ/কেএম




























