হাজতি মতিউরকে অনৈতিক সুবিধা, ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা ছাগলকান্ডের মতিউর রহমানকে অনৈতিক সুবিধা দেয়ার অভিযোগে পুলিশের এক এসআই ও ১০ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বরখাস্তদের মধ্যে রয়েছেন এসআই আবুল কাশেম এবং কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, মো. কবির হোসেন, ইমরান, নির্জন খান, শামীম আলম, রবীন্দ্র দাস, মো. রনি হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তানভির রহমান ও মো. আবু সাইদ মিয়া।
অভিযোগের সূত্রপাত ঘটে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে হাজিরা দিতে নিয়ে যাওয়ার পথে। তদন্তে উঠে এসেছে, মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করার পর ফেরত আনার পথে যাত্রাবিরতির সময় তাকে আলাদা কক্ষে বসিয়ে খাবার খাওয়ানো হয়, যা স্কর্ট ডিউটির নিয়মের পরিপন্থী। এ সময়ে পুলিশ সদস্যরা বাইরে সাধারণ স্থানে খাবার খান।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, এ বিশেষ সুবিধার বিনিময়ে স্কর্ট টিমের সদস্যরা উৎকোচ গ্রহণ করেছিলেন। তদন্ত কমিটি ঘটনাটি যাচাই করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে, স্কর্ট ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য ও অনিয়ম করেছেন।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, তাদের কর্মকাণ্ড বিভাগীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং পুলিশের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। তাই পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল ১৯৪৩ অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বেতন-ভাতা পাবেন, তবে পুলিশ লাইন্সে সাদা পোশাকে উপস্থিত থেকে নিয়মিত রোলকল, পিটি ও প্যারেডে অংশ নিতে হবে।
উল্লেখ্য, মতিউর রহমান গত বছর আলোচনায় আসেন যখন কোরবানির আগে তার ছেলের ১৫ লাখ টাকার ছাগল কেনার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে গণ-অভ্যুত্থানের পর দুর্নীতির অভিযোগে দুদক তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে।
সবার দেশ/কেএম




























