জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী
আত্মত্যাগের মর্যাদা দিয়ে মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই
শনিবার বিকেলে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময়ের সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। এখন সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা দিয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য দেশের মানুষ অকাতরে জীবন দিয়েছে। বহু মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ আবারও গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; বরং এটি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ফল। এক যুগের বেশি সময় ধরে সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে পেতে লড়াই করেছে।
তিনি আরও বলেন, আজ দেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে। জনগণ যে আস্থা রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর রেখেছে, সেই আস্থার প্রতিদান দিতে হবে কাজের মাধ্যমে। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে আগামী দিনের প্রধান অঙ্গীকার।
উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও তৌহিদি জনতাকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে সবাইকে ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। আগামী দিনের সব পরিকল্পনা ও কর্মসূচি কেবল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যেই পরিচালিত হওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এর নায়েবে আমির শফিক সাহেবসহ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
ইফতার মাহফিলে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সবার দেশ/এফও




























