জামায়াত পেতে পারে ১৯০ আসন, এনসিপি ৩০
১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্তের পথে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, জোটের শরিকদের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে আসন সমঝোতার ঘোষণা দেয়া হবে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে প্রায় ১৯০টি আসনে প্রার্থী দিতে পারে। বাকি ১১০টি আসনে ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শরিক দলগুলো নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবে।
একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন এ জোটের অন্যতম বড় শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রায় ৪০টি আসনে নির্বাচন করতে পারে। সম্প্রতি জোটে যুক্ত হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) লড়বে ৩০টি আসনে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী দিতে পারে ১৫টি আসনে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বা খেলাফত মজলিসের আরেক অংশ পেতে পারে ৭টি আসন। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) লড়তে পারে ৭টি আসনে, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি আসনে এবং বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিডিপি) ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।
এদিকে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) একটি আসনে প্রার্থী দেবে বলে জানা গেছে। জোটের বাকি তিনটি ছোট দল মোট পাঁচটি আসনে নির্বাচন করবে।
চূড়ান্ত সমঝোতা হলে ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টনের পূর্ণ চিত্র প্রকাশ পাবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ সমঝোতা আসন্ন নির্বাচনে জোটটির কৌশল ও শক্তির অবস্থান স্পষ্ট করবে।
সবার দেশ/কেএম




























