নারীসহ আহত ২
মিরপুরে বিএনপি নেতাকে গুলি করলো যুবলীগ
রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় চায়ের দোকানের সামনে বসে থাকা এক বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে যুবলীগের সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলে ও বাপ্পী। এ ঘটনায় বিএনপির নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেন (৪৫) এবং পথচারী এক নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত আলমগীর হোসেনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, আলমগীর হোসেন স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে কয়েকজনের সঙ্গে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেট কারে করে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তার মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে।
এ সময় গুলির মধ্যে পড়ে পথচারী জোসনা (৬৫) নামে এক নারীও আহত হন। তার পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর হোসেন দাবি করেন, চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি প্রাইভেট কার থেকে নেমে তার ওপর গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন।
তার অভিযোগ, হামলাকারীদের নাম রুবেল ও বাপ্পী এবং তারা যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তবে কী কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।
আলমগীর হোসেন জানান, তিনি পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে তার ভাইয়ের সঙ্গে মাছের আড়তের ব্যবসা করেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে মিরপুর-১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে বসবাস করছেন।
এদিকে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলের সঙ্গে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আলমগীরের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিলো। সে বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। এতে আলমগীর হোসেন ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
সবার দেশ/কেএম




























