গাফিলতির অভিযোগে ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে বন্দি পলায়ন
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে এক নারী বন্দি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন মেট্রন ও চার নারী কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি কারা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সাতজন হলেন—মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ বলেন, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিলো। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেট্রনদের তদারকিতে ঘাটতির সুযোগ নিয়ে ২১ বছর বয়সী বন্দি রিম্পা কারাগারের অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। তবে কোথাও তার সন্ধান না মেলায় পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগারের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে গেছেন।
এআইজি মো. জান্নাতুল ফরহাদ জানান, ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পলাতক বন্দিকে দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত কারাগার থেকে কীভাবে একজন বন্দি পালাতে সক্ষম হলেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
সবার দেশ/কেএম




























