লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী
নির্বাচনী যুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আ.লীগ নেতা সোহেল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শরাফ উদ্দীন আজাদ সোহেল। তিনি নির্বাচনী মাঠে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় সম্প্রদায় ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা তার নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বিতর্কিত হিসেবে দেখছেন। স্থানীয় জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতা এবং ভোটাররা প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে স্বৈরাচারী ও সহিংস ইতিহাসে যুক্ত একজন নেতা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারছেন।
জুলাই মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ছাত্রনেতা আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেছেন, ২০১৪-২০১৮ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে সোহেল ছাত্র-জনতার উপর হামলা চালিয়েছেন। এছাড়া নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট কারচুপি ও শো-ডাউনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রভাব খাটিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সোবহান বলেন, তার লাঠিয়াল বাহিনী সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হুমকি-ধমকি চালিয়ে আসছে এবং প্রশাসন দীর্ঘদিন নিরব ভূমিকা পালন করেছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।
উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা–কর্মীও জানিয়েছেন, সোহেলের বাহিনী বিএনপির অফিসে পোস্টার ভাঙচুর ও জ্বালিয়ে দিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তিনি নিজের রাজনৈতিক প্রভাব ও বাহিনী ব্যবহার করে উপজেলা দখল করেছেন।
রামগতি উপজেলা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা জানিয়েছেন, সোহেল মনোনয়ন ফরম জেলা রিটার্নিং অফিসে জমা দিয়েছেন। তবে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান যোগাযোগের চেষ্টা সত্ত্বেও কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি।
এ পরিস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তেজিত করেছে এবং জুলাই আন্দোলনের ছাত্র-জনতা সোহেলের প্রার্থীতাকে ‘কলুষিত ও মর্মাহত’ হিসেবে দেখছে।
সবার দেশ/কেএম




























