গুচ্ছবোমার ধ্বংসযজ্ঞ বাড়িয়েছে আতঙ্ক
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা কঠিন: ইসরায়েল
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক অংশে গুচ্ছবোমা বা ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করেছে। এ ধরনের বিশেষ ওয়ারহেড লক্ষ্যবস্তুর আকাশে পৌঁছানোর পর কয়েক ডজন ক্ষুদ্র সাব-মিউনিশনে বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বিস্ফোরণ ঘটায়, যা প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষমতা রাখে।
আইডিএফের সামরিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এমন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা অত্যন্ত জটিল। ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হলেও কোনও ব্যবস্থা পুরোপুরি নিখুঁত নয়। একটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হলেও তার ছড়িয়ে পড়া ক্ষুদ্র বোমাগুলো নিচে পড়ে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, ইরান কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, জনবসতিপূর্ণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে। গত সোমবার মধ্য ইসরায়েলের একটি নির্মাণাধীন এলাকায় ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দুজন নিহত হয়েছেন এবং অন্যান্য স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে।
পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইরান একযোগে অনেক ক্ষেপণাস্ত্র না ছুড়ে অল্প সংখ্যক কিন্তু শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। এতে সীমিত হামলাতেও সর্বোচ্চ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর কৌশল প্রয়োগ করছে তেহরান।
সবার দেশ/কেএম




























